☼ ইসলাম হইল আল্লাহ ব্যতিত কোন প্রভু নেই এবং মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর রাসুল বলে সাক্ষ্য দেওয়া, নামায কায়েম করা, যাকাত আদায় করা, রমযানের রোজা রাখা এবং সামর্থ থাকলে কাবা শরীফে হজ্জ করা। (বোখারী শরীফ , মুসলিম শরীফ)
☼ হযরত জাবের (রাঃ) বলেন , একদিন আমি জিজ্ঞাসা করলাম-ইয়া রাসুলুল্লাহ (দঃ)! সকল বস্তু সৃষ্টির পূর্বে আল্লাহ্পাক কোন বস্তু সৃষ্টি করেছিলেন ? মহানবী (দঃ) বললেন, হে জাবের ! সবকিছু সৃষ্টির পূর্বে আল্লাহ্পাক নিজের নুর হতে তোমার নবীর নুরকে সৃষ্টি করেছিলেন । অতঃপর সেই নুর আল্লাহ্ পাকের ইচছা অনুসারে বিচরণ করতে ছিল। সেই সময় লাওহে মাহফুজ, কলম, জান্নাত, জাহান্নাম, ফেরেশতা, আসমান, জমীন, চন্দ্র, সূর্য, জ্বীন ও মানুষ কিছুই ছিল না । ছিলেন কেবল আল্লাহ্ পাক এবং নুরে মোহাম্মদী (দঃ) আল্লাহর নির্দেশে ভ্রমণরত ছিলেন । – আল হাদীস
☼ তোমাদের মধ্যকার যে ব্যক্তি সেহ্রী খাওয়া বর্জন করবে, তার স্বভাব ইহুদীদের মতো হয়ে যাবে। কমপক্ষে দু’এক লোকমা হলেও সেহরী খাবে। কেননা এতেও অসংখ্য সওয়াব লাভ হবে। – আল হাদীস
☼ না, ইহার ব্যতিক্রম হতে পারে না । তোমাদেরকে অবশ্যই সৎকর্মের আদেশ দিতে হবে, তোমাদের অবশ্যই অন্যায় কাজে বাধা দিতে হবে। অবশ্যই অনাচারীদের দু’হাত চেপে ধরতে হবে। অন্যায়কারীদেরকে অবশ্যই ন্যায়ের পথে চলতে বাধ্য করতে হবে। অন্যথায় আল্লাহ তোমাদের উভয়ের অন্তকরণ অভিন্ন করে দিবেন । অতঃপর তোমাদের পরিণত করবেন অভিশপ্ত জাতিতে, যেভাবে তিনি ইহুদীদের পরিণত করেছেন অভিশপ্ত জাতিতে। – আল হাদীস
☼ যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের অনুপসি’তিতে তার মান-ইজ্জত রক্ষা করল, তার দোষ ঢেকে রাখল; আল্লাহ তাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচিয়ে দেবেন । – আল হাদীস (মুসনাদে আহমদ)
☼ তোমরা অন্যের দোষ অন্বেষণ করো না, গুপ্তচরবৃত্তি করো না, পরস্পর কলহ করো না, হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করো না, একে অপরকে ঘৃণা করো না, অন্যের ক্ষতিসাধনের ফন্দি করো না বরং আল্লাহর প্রকৃত বান্দা এবং পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও । (বোখারী, মুসলিম)
☼ আমি তোমাদেরকে কবরের নিকট যেতে নিষেধ করেছিলাম । আচছা এখন থেকে তোমরা কবরের নিকট যেও । কেননা এতে অন্তর নরম হয়, চক্ষু অশ্রুপূর্ণ হয়, পরকালকে স্মরণ করায় এবং বাজে কথা থেকে বিরত রাখে। – আল হাদীস
☼ হযরত জাবের (রাঃ) বলেন , একদিন আমি জিজ্ঞাসা করলাম-ইয়া রাসুলুল্লাহ (দঃ)! সকল বস্তু সৃষ্টির পূর্বে আল্লাহ্পাক কোন বস্তু সৃষ্টি করেছিলেন ? মহানবী (দঃ) বললেন, হে জাবের ! সবকিছু সৃষ্টির পূর্বে আল্লাহ্পাক নিজের নুর হতে তোমার নবীর নুরকে সৃষ্টি করেছিলেন । অতঃপর সেই নুর আল্লাহ্ পাকের ইচছা অনুসারে বিচরণ করতে ছিল। সেই সময় লাওহে মাহফুজ, কলম, জান্নাত, জাহান্নাম, ফেরেশতা, আসমান, জমীন, চন্দ্র, সূর্য, জ্বীন ও মানুষ কিছুই ছিল না । ছিলেন কেবল আল্লাহ্ পাক এবং নুরে মোহাম্মদী (দঃ) আল্লাহর নির্দেশে ভ্রমণরত ছিলেন । – আল হাদীস
☼ তোমাদের মধ্যকার যে ব্যক্তি সেহ্রী খাওয়া বর্জন করবে, তার স্বভাব ইহুদীদের মতো হয়ে যাবে। কমপক্ষে দু’এক লোকমা হলেও সেহরী খাবে। কেননা এতেও অসংখ্য সওয়াব লাভ হবে। – আল হাদীস
☼ না, ইহার ব্যতিক্রম হতে পারে না । তোমাদেরকে অবশ্যই সৎকর্মের আদেশ দিতে হবে, তোমাদের অবশ্যই অন্যায় কাজে বাধা দিতে হবে। অবশ্যই অনাচারীদের দু’হাত চেপে ধরতে হবে। অন্যায়কারীদেরকে অবশ্যই ন্যায়ের পথে চলতে বাধ্য করতে হবে। অন্যথায় আল্লাহ তোমাদের উভয়ের অন্তকরণ অভিন্ন করে দিবেন । অতঃপর তোমাদের পরিণত করবেন অভিশপ্ত জাতিতে, যেভাবে তিনি ইহুদীদের পরিণত করেছেন অভিশপ্ত জাতিতে। – আল হাদীস
☼ যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের অনুপসি’তিতে তার মান-ইজ্জত রক্ষা করল, তার দোষ ঢেকে রাখল; আল্লাহ তাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচিয়ে দেবেন । – আল হাদীস (মুসনাদে আহমদ)
☼ তোমরা অন্যের দোষ অন্বেষণ করো না, গুপ্তচরবৃত্তি করো না, পরস্পর কলহ করো না, হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করো না, একে অপরকে ঘৃণা করো না, অন্যের ক্ষতিসাধনের ফন্দি করো না বরং আল্লাহর প্রকৃত বান্দা এবং পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও । (বোখারী, মুসলিম)
☼ আমি তোমাদেরকে কবরের নিকট যেতে নিষেধ করেছিলাম । আচছা এখন থেকে তোমরা কবরের নিকট যেও । কেননা এতে অন্তর নরম হয়, চক্ষু অশ্রুপূর্ণ হয়, পরকালকে স্মরণ করায় এবং বাজে কথা থেকে বিরত রাখে। – আল হাদীস
☼ পরনিন্দা করা ব্যভিচার চাইতেও মারাত্মক। – আল হাদীস
☼ যে ব্যক্তি রমযানের শেষ দশ দিন এতেকাফ করবে, তাকে দুই হজ্জ এবং দুই ওমরার সওয়াব দেওয়া হবে। — আল হাদীস (বায়হাকী শরীফ ঃ)
☼ ইসলামে বৈরাগ্যের কোনো স্থান নেই । – আল হাদীস
☼ নবী করীম (দঃ) কখনও কখনও শিশুদের কান্নার আওয়াজ শুনলে নামায সংক্ষিপ্ত করে ফেলতেন এবং বলতেন , ‘আমি চাই না যে তার মায়ের কষ্ট হোক’। -(- আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ))
☼ তুমি যা বললে তা যদি তার মধ্যে থেকে থাকে, তবেই তা হবে পরনিন্দা। আর তা যদি না-ই থাকে তবে তা হবে মিথ্যা অপবাদ। (আবু দাউদ , নাসাঈ)
☼ আল্লাহ যাকে ধন-সম্পদ দিয়েছেন সে যদি তার যাকাত আদায় না করে, তবে কিয়ামতের দিন সেই ধন-সম্পদ একটি বিষধর অজগরের রূপ ধারণ করবে যার দুই চোখের ওপরে দু’টি কালো ফোটা থাকবে এবং সেই অজগরকে তার গলায় পড়িয়ে দেওয়া হবে। সাপটি তার মুখের দুই পাশে ছোবল মারতে থাকবে আর বলবে আমিই তোমার সম্পদ , আমিই তোমার সঞ্চিত ধন । – আল হাদীস
☼ অপ্রয়োজনীয় বিষয়কে বর্জন করাই হলো ইসলামের সৌন্দর্য । – আল হাদীস (তিরমিযী)
☼ জনৈক বেদুঈন একবার রাসুলুল্লাহ (দঃ)-কে বললেন, আমাকে এমন আমলের কথা বলুন যাতে আমি জান্নাতে যেতে পারি। নবী করীম (দঃ) বললেন, তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করবে না, ফরজ নামায আদায় করবে, ফরজ যাকাত প্রদান করবে এবং রমজানের রোজা পালন করবে। লোকটি বলল, সেই সত্ত্বার কসম যার হাতে আমার প্রাণ, আমি ইহার চাইতে একটু বেশীও করব না, একটু কমও করব না । বেদুঈন লোকটি চলে যাওয়ার সময় রাসুলুল্লাহ (দঃ) বললেন, কেউ যদি কোনো জান্নাতী লোক দেখতে চায়, সে যেন এই ব্যক্তিকে দেখে নেয় । -(- আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ))
☼ উত্তম স্বভাব হলো পূণ্য আর পাপ হলো তাই যা তোমার মনকে সন্দেহের দোলায় ফেলে দেয় এবং যা লোকে জানুক তা তুমি পছন্দ কর না । – আল হাদীস (মুসলিম শরীফ ঃ)
☼ যে ব্যক্তি রমযানের শেষ দশ দিন এতেকাফ করবে, তাকে দুই হজ্জ এবং দুই ওমরার সওয়াব দেওয়া হবে। — আল হাদীস (বায়হাকী শরীফ ঃ)
☼ ইসলামে বৈরাগ্যের কোনো স্থান নেই । – আল হাদীস
☼ নবী করীম (দঃ) কখনও কখনও শিশুদের কান্নার আওয়াজ শুনলে নামায সংক্ষিপ্ত করে ফেলতেন এবং বলতেন , ‘আমি চাই না যে তার মায়ের কষ্ট হোক’। -(- আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ))
☼ তুমি যা বললে তা যদি তার মধ্যে থেকে থাকে, তবেই তা হবে পরনিন্দা। আর তা যদি না-ই থাকে তবে তা হবে মিথ্যা অপবাদ। (আবু দাউদ , নাসাঈ)
☼ আল্লাহ যাকে ধন-সম্পদ দিয়েছেন সে যদি তার যাকাত আদায় না করে, তবে কিয়ামতের দিন সেই ধন-সম্পদ একটি বিষধর অজগরের রূপ ধারণ করবে যার দুই চোখের ওপরে দু’টি কালো ফোটা থাকবে এবং সেই অজগরকে তার গলায় পড়িয়ে দেওয়া হবে। সাপটি তার মুখের দুই পাশে ছোবল মারতে থাকবে আর বলবে আমিই তোমার সম্পদ , আমিই তোমার সঞ্চিত ধন । – আল হাদীস
☼ অপ্রয়োজনীয় বিষয়কে বর্জন করাই হলো ইসলামের সৌন্দর্য । – আল হাদীস (তিরমিযী)
☼ জনৈক বেদুঈন একবার রাসুলুল্লাহ (দঃ)-কে বললেন, আমাকে এমন আমলের কথা বলুন যাতে আমি জান্নাতে যেতে পারি। নবী করীম (দঃ) বললেন, তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করবে না, ফরজ নামায আদায় করবে, ফরজ যাকাত প্রদান করবে এবং রমজানের রোজা পালন করবে। লোকটি বলল, সেই সত্ত্বার কসম যার হাতে আমার প্রাণ, আমি ইহার চাইতে একটু বেশীও করব না, একটু কমও করব না । বেদুঈন লোকটি চলে যাওয়ার সময় রাসুলুল্লাহ (দঃ) বললেন, কেউ যদি কোনো জান্নাতী লোক দেখতে চায়, সে যেন এই ব্যক্তিকে দেখে নেয় । -(- আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ))
☼ উত্তম স্বভাব হলো পূণ্য আর পাপ হলো তাই যা তোমার মনকে সন্দেহের দোলায় ফেলে দেয় এবং যা লোকে জানুক তা তুমি পছন্দ কর না । – আল হাদীস (মুসলিম শরীফ ঃ)
☼ ফেরেশতারা ঈমানদার বান্দার রূহ নিয়ে অন্যান্য ঈমানদার বান্দার রূহের নিকট পৌছলে সে সব রূহ আনন্দিত হন । দুনিয়ার জীবনে দুরদেশে বসবাসকারী আত্মীয়-স্বজনরা বেড়াতে আসলে মানুষ যেমন খুশী হয়, মোমিনদের রূহও তেমনি আনন্দিত হয়ে থাকে । এমনকি তার চাইতেও অধিক আনন্দিত হয়ে থাকে । তারা জিজ্ঞেস করে যে, অমুকের অবস্থা কি, অমুক কেমন আছ ? তাছাড়া ঈমানদারদের রূহ আগন্তুক রূহকে কিছুক্ষণ বিশ্রামের সময়ও দিয়ে থাকেন । কেননা নবাগত রূহ দুনিয়ায় ফেলে আসা আত্মীয়-স্বজনদের কথা ভেবে ব্যথিত হয়ে থাকে । পরে একে একে উত্তর দিয়ে থাকেন । যদি কারো সম্পর্কে বলা হয় যে, অমুক ইন্তেকাল করেছে, তখন ঈমানদারদের রূহ বলে যে, সে ইন্তেকাল করল অথচ আমাদের নিকট আসল না, নিশ্চয় তাকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। (নাসায়ী শরীফ)
☼ তোমরা সহধর্মিনীদের প্রতি শুভাকাঙখী হও । -(নাসায়ী শরীফ)
☼ যে ব্যক্তি রোগাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে , সে শহীদ রূপে গণ্য হবে। – আল হাদীস
☼ মসজিদে নববীতে এক রাকাত নামায পঞ্চাশ হাজার রাকাত নামাযের চাইতে উত্তম । -(ইবনে মাজাহ শরীফ)
☼ খারাপ কাজ হইতে দেখেও যদি লোকেরা তা প্রতিহত করতে চেষ্টা না করে, তবে তারা যেন আল্লাহর পক্ষ থেকে আপতিত শাস্তির অপেক্ষা করতে থাকে । – আল হাদীস (ইবনে মাজাহ শরীফ ঃ)
☼ সমাজে যখন ব্যাপক হারে অনাচার চলতে থাকে এবং যাদের বাধা দেওয়ার ক্ষমতা আছে তারা যদি প্রতিবাদ না করে, তবে আল্লাহ সেখানে পাইকারী হারে গযব নাজিল করেন যার হাত থেকে ভাল-মন্দ কেউ নিস্তার পায় না । -আল হাদীস
☼ আল্লাহ পাকের নিরানব্বইটি নাম রয়েছে । যে তা মুখস্ত করবে, সে নিশ্চয় বেহেশতে প্রবেশ করবে। – আল হাদীস
☼ সন্দেহযুক্ত বিষয়কে পরিত্যাগ করে সন্দেহমুক্ত বিষয়কে গ্রহন কর । – আল হাদীস (নাসায়ী আহমদ)
☼ হে লোকেরা ! তোমরা ধীরে-সুস্থে চল। কেননা উটকে দৌড়িয়ে নিয়ে যাওয়া কোন সওয়াবের কাজ নয় । – আল হাদীস
☼ আমার পূর্বেকার রাসুলগণ কেবল নিজের জাতির পথ প্রদর্শনের জন্য প্রেরিত হতেন, আর আমি প্রেরিত হয়েছি সমগ্র মানবজাতির জন্য । (আল হাদিস)
☼ তোমরা সহধর্মিনীদের প্রতি শুভাকাঙখী হও । -(নাসায়ী শরীফ)
☼ যে ব্যক্তি রোগাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে , সে শহীদ রূপে গণ্য হবে। – আল হাদীস
☼ মসজিদে নববীতে এক রাকাত নামায পঞ্চাশ হাজার রাকাত নামাযের চাইতে উত্তম । -(ইবনে মাজাহ শরীফ)
☼ খারাপ কাজ হইতে দেখেও যদি লোকেরা তা প্রতিহত করতে চেষ্টা না করে, তবে তারা যেন আল্লাহর পক্ষ থেকে আপতিত শাস্তির অপেক্ষা করতে থাকে । – আল হাদীস (ইবনে মাজাহ শরীফ ঃ)
☼ সমাজে যখন ব্যাপক হারে অনাচার চলতে থাকে এবং যাদের বাধা দেওয়ার ক্ষমতা আছে তারা যদি প্রতিবাদ না করে, তবে আল্লাহ সেখানে পাইকারী হারে গযব নাজিল করেন যার হাত থেকে ভাল-মন্দ কেউ নিস্তার পায় না । -আল হাদীস
☼ আল্লাহ পাকের নিরানব্বইটি নাম রয়েছে । যে তা মুখস্ত করবে, সে নিশ্চয় বেহেশতে প্রবেশ করবে। – আল হাদীস
☼ সন্দেহযুক্ত বিষয়কে পরিত্যাগ করে সন্দেহমুক্ত বিষয়কে গ্রহন কর । – আল হাদীস (নাসায়ী আহমদ)
☼ হে লোকেরা ! তোমরা ধীরে-সুস্থে চল। কেননা উটকে দৌড়িয়ে নিয়ে যাওয়া কোন সওয়াবের কাজ নয় । – আল হাদীস
☼ আমার পূর্বেকার রাসুলগণ কেবল নিজের জাতির পথ প্রদর্শনের জন্য প্রেরিত হতেন, আর আমি প্রেরিত হয়েছি সমগ্র মানবজাতির জন্য । (আল হাদিস)
☼ কাউকে খারাপ কাজ করতে দেখলে তাকে হাত দিয়ে বাঁধা দাও । তা না পারলে মুখে প্রতিবাদ কর। যদি তাও না পারো তবে অন্তর দিয়ে ঘৃণা কর । আর এটা হলো দুর্বলতম ঈমানের পরিচয় । (আল হাদিস)
☼ আমার বান্দাদের স্বভাব কতই না বিচিত্র ! এরা পাপ করার পর আমার নিকট ক্ষমা চায়, আমি তাদেরকে ক্ষমা করে দেই । ক্ষমা পাবার পর এরা একই পাপ পুণরায় করে ফেলে এবং আমার নিকট ক্ষমা চায় । আমি আবারো তাদের ক্ষমা করে দেই । হতভাগারা গোনাহ করাও ছাড়তে পারে না আবার আমার করুণা থেকেও নিরাশ হয় না । হে ফেরেশতারা ! তোমরা সাক্ষী থাক, আমি তাদেরকে ক্ষমা করেই যাব । (হাদীসে কুদসী)
☼ আমি শেষ নবী, আমার পরে আর কোনো নবী আসবে না । (আল হাদিস)
☼ নবী করীম (দঃ)-এর নিকট এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, কোন্ মহিলা উত্তম ? তিনি বললেন, সেই নারী যার প্রতি তার স্বামী দৃষ্টিপাত করলে সে সন্তুষ্ট হয়, যে স্বামীর কথা মতো চলে, নিজের ব্যক্তিগত ব্যাপারে স্বামীর বিরুদ্ধাচরণ করে না এবং স্বামীর ইচছার বিরুদ্ধে তার সম্পদ খরচ করে না । – আল হাদীস (মেশকাত শরীফ)
☼ কেউ যদি আল্লাহর পুরস্কারের আশায় যাকাত আদায় করে, তবে তাকে পুরস্কৃত করা হবে। কিন্তু যে ব্যক্তি যাকাত দিতে অস্বীকার করবে তার কাছ থেকে জোর পূর্বক যাকাত আদায় করতে হবে এবং আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী তার অর্ধেক সম্পত্তিও নিয়ে নেওয়া হবে। (নাসাঈ শরীফ , বায়হাকী শরীফ ঃ)
☼ ঈমানের সত্তরটিরও অধিক শাখা রয়েছে যার শ্রেষ্টটি হলো এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই এবং ক্ষুদ্রতমটি হলো রাস্তা হতে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা আর লজ্জাও ঈমানের একটি শাখা। – আল হাদীস
☼ উত্তম চরিত্রের পূর্ণতা বিধানের জন্যেই আমি প্রেরিত হয়েছি। – আল হাদীস
☼ তোমাদের কেহ পূর্ণ মোমিন হতে পারবে না যে পযর্ন্ত না আমি তার নিকট তার পিতা , তার সন্তান এবং অন্য সকল মানুষের চাইতে বেশী প্রিয় হই । (- আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ))
☼ তিন শ্রেণীর মানুষের সাথে হাশরের দিন আল্লাহপাক কথা বলবেন না , তাদের কোন ডাকেই সাড়া দিবেন না , তাদের প্রতি করুণার দৃষ্টি দিবেন না এবং তাদেরকে কঠিন শাস্তি আস্বাদ করাবেন ঃ (১) বৃদ্ধ ব্যভিচারী (২) মিথ্যুক শাসক (৩) অহঙ্কারী দরিদ্র ব্যক্তি । (আল হাদীস)
☼ আল্লাহর ইচছা অনুযায়ী যথা সময়ে জান্নাত সৃষ্টি হয়েছে। নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলের বিস্তৃতির সমানুপাতে উহার প্রস্থ নির্ধারণ করা হয়েছে। দৈর্ঘ্য সমন্ধে কেহই অবগত নহে। কেয়ামতের পরে উহার বিস্তৃতি আরো বাড়ানো হবে যাতে জান্নাতবাসীগণ তাতে পরমানন্দে বসবাস করতে পারে। বেহেশতের দরজা থাকবে একশত যার একটি হতে অন্যটির দূরত্ব হবে পাঁচশত বছরের পথের সমান । তাতে কুলকুল রবে ঝর্ণা প্রবাহিত হবে। বেহেশতের কোন্ বৃক্ষটি এমন আছে যার কান্ডটি স্বর্ণ নির্মিত নয় ! জান্নাতের বৃক্ষসমূহের শাখা-প্রশাখা কখনও শুষ্ক হয় না কিংবা তার পত্রসমূহ কখনও ঝরে পড়ে না । বৃক্ষের ফলগুলি নাগালের মধ্যে ঝুলে থাকবে যাতে জান্নাতবাসীরা স্বচছন্দে খেতে পারে। তথায় থাকবে ডাগর নয়না পবিত্র রমণীরা (হুর)। আল্লাহ্ তাদেরকে স্বীয় নুর দ্বারা সৃষ্টি করেছেন । তারা ইয়াকুত ও মারজান তুল্য লাবণ্যময়ী সুন্দরী হবে। তারা স্বীয় স্বামী ভিন্ন অন্য কারো প্রতি দৃষ্টিপাত করবে না এবং স্বীয় স্বামী ভিন্ন অন্য কারো দ্বারা স্পর্শিত হবে না । তাদের সাথে যতই সঙ্গম করা হবে ততই তাদেরকে নতুন এবং কুমারী মনে হবে। তাদের দেহে বিভিন্ন রঙের সত্তরটি অলংকার থাকবে এবং সেগুলি একটি পশমতুল্যও ভারি হবে না । তাদের কেশগুচছ হবে ইয়াকুত ও মুক্তা খচিত। -(আল হাদিস)☼ আমার বান্দাদের স্বভাব কতই না বিচিত্র ! এরা পাপ করার পর আমার নিকট ক্ষমা চায়, আমি তাদেরকে ক্ষমা করে দেই । ক্ষমা পাবার পর এরা একই পাপ পুণরায় করে ফেলে এবং আমার নিকট ক্ষমা চায় । আমি আবারো তাদের ক্ষমা করে দেই । হতভাগারা গোনাহ করাও ছাড়তে পারে না আবার আমার করুণা থেকেও নিরাশ হয় না । হে ফেরেশতারা ! তোমরা সাক্ষী থাক, আমি তাদেরকে ক্ষমা করেই যাব । (হাদীসে কুদসী)
☼ আমি শেষ নবী, আমার পরে আর কোনো নবী আসবে না । (আল হাদিস)
☼ নবী করীম (দঃ)-এর নিকট এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, কোন্ মহিলা উত্তম ? তিনি বললেন, সেই নারী যার প্রতি তার স্বামী দৃষ্টিপাত করলে সে সন্তুষ্ট হয়, যে স্বামীর কথা মতো চলে, নিজের ব্যক্তিগত ব্যাপারে স্বামীর বিরুদ্ধাচরণ করে না এবং স্বামীর ইচছার বিরুদ্ধে তার সম্পদ খরচ করে না । – আল হাদীস (মেশকাত শরীফ)
☼ কেউ যদি আল্লাহর পুরস্কারের আশায় যাকাত আদায় করে, তবে তাকে পুরস্কৃত করা হবে। কিন্তু যে ব্যক্তি যাকাত দিতে অস্বীকার করবে তার কাছ থেকে জোর পূর্বক যাকাত আদায় করতে হবে এবং আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী তার অর্ধেক সম্পত্তিও নিয়ে নেওয়া হবে। (নাসাঈ শরীফ , বায়হাকী শরীফ ঃ)
☼ ঈমানের সত্তরটিরও অধিক শাখা রয়েছে যার শ্রেষ্টটি হলো এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই এবং ক্ষুদ্রতমটি হলো রাস্তা হতে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা আর লজ্জাও ঈমানের একটি শাখা। – আল হাদীস
☼ উত্তম চরিত্রের পূর্ণতা বিধানের জন্যেই আমি প্রেরিত হয়েছি। – আল হাদীস
☼ তোমাদের কেহ পূর্ণ মোমিন হতে পারবে না যে পযর্ন্ত না আমি তার নিকট তার পিতা , তার সন্তান এবং অন্য সকল মানুষের চাইতে বেশী প্রিয় হই । (- আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ))
☼ তিন শ্রেণীর মানুষের সাথে হাশরের দিন আল্লাহপাক কথা বলবেন না , তাদের কোন ডাকেই সাড়া দিবেন না , তাদের প্রতি করুণার দৃষ্টি দিবেন না এবং তাদেরকে কঠিন শাস্তি আস্বাদ করাবেন ঃ (১) বৃদ্ধ ব্যভিচারী (২) মিথ্যুক শাসক (৩) অহঙ্কারী দরিদ্র ব্যক্তি । (আল হাদীস)
☼ নিশ্চয়ই জানিবে , আল্লাহর নিকট কৃতকর্মের ফল তাহার নিয়ত অনুসারে হয়ে থাকে । – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ)
☼ হযরত হারেস ইবনে হিশাম (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, “হে আল্লাহর রাসুল (সাঃ) ! আপনার নিকট প্রত্যাদেশ কিভাবে আসে ?” তিনি বললেন- “কোন সময় এমন হয় যে, আমি একটি টুনটুন শব্দ শুনতে পাই । এই ধরনের ওহী আমার জন্য বড়ই পীড়াদায়ক হয়ে থাকে । আবার কখনো কখনো ফেরেশতা মানুষের আকৃতিতে আমার নিকট আসেন এবং আল্লাহর বাণী আমাকে বলে দেন । আমি তাহা মুখস্থ করে লই”। প্রচণ্ড শীতের সময়ও রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-কে ওহী অবতরণ কালে ঘামে সিক্ত হতে দেখেছি। – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ) ঃ)
☼ আরবদের অধঃপতনে ইসলামের অধঃপতন হবে। কেয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে আরবদের ধ্বংস নেমে আসবে। আর ধ্বংসের কারণ হবে নির্লজ্জতা। – আল হাদীস – আল হাদীস (তিরমিযী শরীফ)
☼ আনসারদের প্রতি ভালবাসা পোষণ করা ঈমানের নিদর্শন আর তাদের সাথে শত্রুতা পোষণ করা কপটতার আলামত। – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ))
☼ “আমার উম্মতের উপর এমন একটা দুঃসময় আসবে যখন দুনিয়ার সমস্ত বৈরী শক্তিগুলি পরস্পর যোগ-সাজশ করে তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে, যেমন করে দাওয়াতের মজলিসে খাবার সাজিয়ে একে অন্যকে ডেকে ডেকে খাওয়ার পালা শুরু করে ”। একজন সাহাবী জিজ্ঞাসা করলেন ,“ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ! তখন কি আমরা সংখ্যায় খুবই নগণ্য হবো ?” রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেন , “না , বরং সংখ্যায় তোমরা থাকবে বিপুল । কিন্তু প্রাণের মায়া এবং দুনিয়ার আরাম-আয়েশের নেশা তোমাদিগকে একেবারে বোধশক্তিহীন জড় পদার্থে পরিণত করে ফেলবে ”। (আল হাদীস)
☼ আমার উম্মতের মধ্যে যে বিষয়গুলির ভয় আমি বেশী করি তা হলো ঃ ভুঁড়ি হয়ে যাওয়া, বেশী বেশী ঘুমানো, অলসতা এবং বিশ্বাসের দুবর্লতা। – আল হাদীস (দারাকুতনী)
☼ এমন কোন নবী নেই যিনি ছাগলের রাখাল ছিলেন না । – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ)
☼ তোমরা আমার সাহাবীদের সমালোচনা করিও না । তোমাদের কেহ ওহুদ পাহাড় সমান স্বর্ণ আল্লাহর রাস্তায় দান করিলেও আমার সাহাবীদের এক মুঠো দান করার সমান হইতে পারিবে না । – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ)
☼ একদিন তোমাদের মধ্যে যোগ্য নেতৃত্ব ও ন্যায় প্রতিষ্ঠাতারূপে মরিয়ম পুত্র ঈসা (আঃ) আগমণ করিবেন । তিনি ক্রুশ ধবংসের অভিযান চালাইবেন এবং শুকর নিধন অভিযান পরিচালনা করিবেন এবং যুদ্ধ-হানাহানির অবসান ঘটাবেন । সেই সময় ধন-দৌলতের আধিক্য হবে। এমনকি দান গ্রহণকারী কোন ব্যক্তি পাওয়া যাবে না । তখন একটি মাত্র সেজদা সমগ্র পৃথিবী ও তার সমস্ত সম্পদ হইতে উত্তম গণ্য হবে। – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ)
☼ (মহাপ্রলয়ের লক্ষণ হইল ) সময় সংকীর্ন হয়ে যাবে, কাজ অল্প হয়ে যাবে, কৃপণতা শুরু হবে, বিপদাপদ বৃদ্ধি পাবে এবং হত্যাকান্ড বৃদ্ধি পাবে। – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ)
☼ যার মধ্যে এই তিনটি গুণ আছে সে ঈমানের স্বাদ লাভ করে। যথা- (১) অন্য সবকিছুর চাইতে আল্লাহ্ ও রাসুল (দঃ) এর প্রতি সবচেয়ে বেশী ভালবাসা পোষণ করা, (২) কাহাকেও ভালবাসিলে তা একমাত্র আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে হওয়া এবং (৩) বিশ্বাসী জীবনে ফিরে যাওয়াকে অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হওয়ার ন্যায় ভয় করা । – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ) ঃ)
☼ শেষ জমানায় ভয়াবহ ফেতনা শুরু হবে। সে সব ফেতনায় মুনাফেক-কাফেরদের থেকে ঈমানদারগণ আলাদা হয়ে যাবেন । তাঁদের সংখ্যা নিতান্তই সীমিত হয়ে পড়বে। তবে তাদের ঈমান আগের তুলনায় অনেক বেশী মজবুত হবে। সুতরাং তোমরা শাম (ইরাক) অঞ্চলের লোকদের মন্দ বলো না । কেননা, তাদের ভেতর আল্লাহর অলিগণও রয়েছেন । এমন একটা সময় আসবে যখন শামবাসীগণ খুবই দুর্বল হয়ে পড়বে। একটার পর একটা নানান বিপদ তাদেরকে এমনই দুর্বল করে দিবে যে, শৃগালে হামলা করেও তাদেরকে পরাস্ত করে দিতে সক্ষম হবে। তাদের এই চরম দুর্দশার সময়ে একজন আদর্শ নেতার আবির্ভাব ঘটবে। তিনি নবী করীম (দঃ)-এর বংশধরদের মধ্য থেকে হবেন । অন্ততঃপক্ষে তিনটি বাহিনী বিপুল সামরিক শক্তি নিয়ে তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা মুসলমানদের এই নেতাকে নিশ্চিহ্ন করতে অগ্রসর হবে। কিন্তু ইমাম মাহদীর ক্ষুদ্র বাহিনীর হাতে তারা সবাই ধ্বংস হয়ে যাবে। যোগ্য নেতার নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ তখনকার মুসলমানদের মধ্যকার পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সহমর্মিতা অনুকরণীয় । তাদের মধ্যে এমন সমৃদ্ধির সৃষ্টি হবে যা ইতিপূর্বে আর কোথাও দেখা যায়নি। – আল হাদিস
(মজমাউয যাওয়ায়েদ)
☼ সবচেয়ে কম শাস্তিপ্রাপ্ত জাহান্নামীকে কেবল দুটি আগুনের জুতো পড়িয়ে দেওয়া হবে, যাতে তার মাথার মগজ টগবগ করে ফুটতে থাকবে এবং পেটের নাড়ী-ভুড়ি গলে পায়খানার রাস্তা দিয়ে বেরিয়ে যাবে আর সে মনে করবে তাকেই হয়ত সবচেয়ে বেশী শাস্তি দেওয়া হচেছ । – আল হাদিস
☼ তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা এজন্য ধ্বংস হয়েছে যে, তাদের মধ্যকার ক্ষমতাবান ও অভিজাত লোকেরা চুরি করলে তাদের ছেড়ে দিত আর দুর্বল ও সাধারণ লোকেরা চুরি করলে তাদের শাস্তি দিত। আল্লাহর কসম, আমার মেয়ে ফাতেমাও যদি চুরির অপরাধে ধরা পড়ত, তবে আমি তার হাত কেটে দিতাম । (আল হাদীস)
☼ জান্নাতবাসীগণ যখন যা আকাংখা করবে তখনই তা লাভ করবে। কেহ জান্নাতে ভ্রমণের নিমিত্তে ঘোড়ার প্রত্যাশা করলে তাকে দ্রুতগামী ঘোড়া দেওয়া হবে। এভাবে কেহ চাষাবাদের ইচছা প্রকাশ করলে তাকে হাতিয়ারের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। ভূমি কর্ষণের সাথে সাথেই বীজ বপন করা হবে এবং চারাগাছ সমূহ উঠতে থাকবে। সঙ্গে সঙ্গেই ফসল কাটা হবে এবং তা পাহাড়ের মতো স্তুপ হয়ে যাবে। অতঃপর আল্লাহ পাক বলবেন, “হে আমার বান্দা ! তোমার যতটুকু ইচছা ততটুকু গ্রহন কর। তবে জেনে রেখো, কোনো জিনিসেই তোমাদের তৃপ্তি মিটবে না । – আল হাদীস (মেশকাত শরীফ)
☼ জ্ঞানী ব্যক্তির চেহারা দেখাও ইবাদত স্বরূপ। – আল হাদীস (দাইলামী)
☼ ট্যাক্স আদায় কারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না । (আবু দাউদ শরীফ)
☼ যে ব্যক্তি সারা বৎসর রোজা রাখে, জাহান্নামে তার জন্য কোন স্থান হবে না । (আল হাদিস)
☼ সর্বাপেক্ষা সহজ মৃত্যু যন্ত্রণার দৃষ্টান্ত এরূপ মনে করতে পার, যেমন একটি ত্রিধার ট্যাটা কারো পায়ে এমন ভাবে বিঁধে গেল এবং এমনভাবে ভিতরে ঢুকেছে যে, অনেক টানাটানি এবং চেষ্টা করেও তাহা খোলা সম্ভব হইতেছে না । (আল হাদিস)
☼ হযরত হারেসা (রাঃ) একদিন রাসুলে মাকবুল (দঃ) কে বললেন ঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ ! আমি সত্যিকারের মু’মিন হইতে পারিয়াছি । নবী করিম (দঃ) তাকে বললেন ঃ ইহার প্রমাণ কি ? হারেসা (রাঃ) উত্তরে বললেন ঃ আমার অন্তর দুনিয়ার মোহজাল ছিন্ন করে এমনভাবে পলায়ন করেছে যে, আমার দৃষ্টিতে এখন স্বর্ণ এবং পাথরের মধ্যে কোনই পার্থক্য নাই । উভয় বস্তুই আমার নিকট সমান তুচছ বলে মনে হয় । বেহেশত এবং দোযখকে আমি যেন নিজের চোখে দেখতে পাচিছ । রাসুলাল্লাহ (দঃ) বললেন ঃ ঈমানের যে অবস্থা তোমার অর্জন করা প্রয়োজন ছিল তা তুমি যথার্থই লাভ করেছ । এখন ইহাকে সযত্নে রক্ষা কর । (আল হাদিস)
☼ (মহামহিম আল্লাহ তা’আলা বলেন) আমার গৌরবের কসম, আমি কখনও মানুষের মধ্যে দুই ভয় ও দুই অভয় একত্রিত করি না । যে বান্দা ইহকালে আমার ভয়ে ভীত থাকিবে পরকালে তাকে আমি নির্ভয় রাখিব। আর যে ব্যক্তি ইহলোকে আমার ব্যাপারে নির্ভয় থাকিবে পরলোকে তাকে আমি ভীত-সন্ত্রস্ত রাখিব। (আল হাদিস)
☼ (হে আয়শা !) কেয়ামতের দিন তুমি যদি আমার সঙ্গে থাকিতে বাসনা রাখ, তবে দরিদ্রের ন্যায় জীবন যাপন করিতে থাক। ধনী লোকের সঙ্গে চলাফেরা হইতে দূরে সরে থাক। তালি লাগাইয়া পরিধান করা ব্যতিত কোন পুরনো কাপড় ফেলে দিও না । (আল হাদিস)
☼ তিনটি জিনিস আমার প্রিয় – নামাজ, সুগন্ধি আর পুণ্যবান স্ত্রী। (আল হাদীস)
☼ যে ব্যক্তি অন্যকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য জ্ঞানের মাত্র একটি অধ্যায়ও নিজে শিক্ষালাভ করবে, নিশ্চয় তাকে সত্তরজন নবী ও সিদ্দিকীনের সমান সওয়াব দেওয়া হবে। – আল হাদীস (দাইলামী)
☼ রাসুলুল্লাহ (দঃ) কোন সাহায্য প্রার্থীর জবাবে কখনও ‘না’ বলেন নি। (বোখারী শরীফ , মুসলিম শরীফ)
☼ মানুষ স্বর্ণ ও রৌপ্যের খনি তুল্য। যে সব লোক অন্ধকার যুগে শ্রেষ্ট ছিল, ধর্মীয় জ্ঞানে পারদর্শী হলে ইসলামের যুগেও শ্রেষ্ট। (বোখারী শরীফ , মুসলিম শরীফ)
☼ আবু হোরায়রা, তুমি যোগ্য পাত্রে করুণা করবে, অন্যথায় তুমি নিজেই করুণার পাত্রে পরিণত হবে। (আল হাদিস)
☼ তুমি জ্ঞান অর্জন করো ; কেননা জ্ঞান অর্জন করা আল্লাহ ভীতি এবং জ্ঞান অনুসন্ধান করা ইবাদতস্বরূপ। জ্ঞান শিক্ষাদান তাসবিহ এবং তার আলোচনা হলো জিহাদ। জ্ঞানহীন ব্যক্তিকে জ্ঞানদান করা দান-খয়রাতস্বরূপ। যোগ্য পাত্রে তা’ ব্যয় করা হলো হৃদ্যতা বা বন্ধুত্বস্বরূপ। জ্ঞান নিঃসঙ্গতায় সঙ্গি, সফরে সহযাত্রী, নির্জন্তায় বাক্যালাপকারী, ধর্মের ক্ষেত্রে পথপ্রদর্শক, অভাবে স্বচছলতার প্রদীপ, বন্ধু-সমাজে নেতৃত্ব, অপরিচিত জনের সাথে সম্পর্ক স্থাপনকারী, শত্রুর মোকাবেলায় ধারালো হাতিয়ার এবং বেহেশতের পথে আলোক স্তম্ভ। -(আল হাদিস)
☼ একবার হযরত রাসুলে করীম (দঃ) হযরত জিব্রাঈল (আঃ)-কে জাহান্নাম ও জাহান্নামীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “হে প্রিয় বন্ধু ! জাহান্নামের প্রথম দরজার নাম ‘হাবিয়া’ এবং এতে মুনাফিক, ফেরাউনের গোষ্টি, আসহাবে মায়েদার কাফেরগণ থাকবে। দ্বিতীয় দরজা ‘লাজ্জা’তে ইবলিশ, শয়তান, তার দলবল ও অগ্নিপূজকরা অবস্থান করবে। তৃতীয় দরজা ‘হোতামা’ তে ইহুদীগণ থাকবে। চতুর্থ দরজা ‘ছায়ীরে’ খ্রীস্টানগণ থাকবে। পঞ্চম দরজা ‘সাকারে’ নক্ষত্র পূজারীরা থাকবে। ষষ্ট দরজা ‘জাহিমে’ কাফের-পৌত্তলিকরা থাকবে। সপ্তম দরজা ‘জাহান্নাম’ বলে জিব্রাঈল (আঃ) চুপ হয়ে গেলে মহানবী (দঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, “হে বন্ধু , আপনি চুপ করলেন কেন ? শীঘ্রই তার অধিবাসীদের কথা আমাকে বলুন !’’ হযরত জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, “হে বন্ধু ! উম্মতে মোহাম্মদীর মধ্যে যারা কবিরা গোনাহ করে তওবা ব্যতিত মৃত্যুবরণ করবে, তারা এতে অবস্থান করবে।’’ এতদ্ শ্রবণে হযরত রাসুলে করীম (দঃ) বেহুশ হয়ে পড়লে হযরত জিব্রাঈল (আঃ) তাঁর মস্তক কোলে তুলে নিলেন এবং রাসুলুল্লাহ (দঃ) চেতনা লাভ করে বললেন, “হে জিব্রাঈল, আমার উম্মতের জাহান্নামে নিক্ষেপ এবং দুর্দশার কথা আমাকে মর্মাহত এবং ব্যথিত করেছে। আমার দুশ্চিন্তা ও ভয় কিছুতেই হ্রাস পাচেছ না ।’’ হযরত জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, “হ্যাঁ, আপনার পাপী উম্মতদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।’’ এতদ্শ্রবণে নুরনবী (দঃ) অঝোর ধারায় কাঁদতে লাগলেন । হযরত জিব্রাঈল (আঃ)ও নিজেকে সম্বরণ করতে না পেরে কাঁদতে লাগলেন । হযরত রাসুলে করীম (দঃ) বললেন, ‘‘হে বন্ধু, আপনি কাঁদতেছেন ? আপনি ‘রহুল আমিন, আল্লাহর অনুগত।’’ তিনি বললেন, “যদি হারুত-মারুত ফেরেশতাদ্বয়ের ন্যায় আমাকেও পরীক্ষা করা হয়, সেই ভয়ে ক্রন্দন করতেছি।’’ তখন আল্লাহ পাক বললেন, “হে মোহাম্মদ (দঃ) এবং জিব্রাঈল (আঃ) ! আমি আপনাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দিয়েছি। সুতরাং আমার কৃতজ্ঞতার নিমিত্তে কাঁদতে থাকুন ।’’ -(আল হাদিস)
☼ যে ব্যক্তি মানুষের কাছ থেকে কোন উপকারী বিষয়কে লুকিয়ে রাখে, কেয়ামতের দিন তার মুখে আগুনের লাগাম পরিয়ে দেয়া হবে। (আল হাদীস)
☼ (নষ্ট) আলেমকে এমন ভয়ঙ্কর শাস্তি দেওয়া হবে যে, জাহান্নামীরা তার শাস্তি দেখে (বিস্মিত হয়ে) চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকবে। (আল হাদিস)
☼ একদিন রাসুলে করিম (দঃ) ‘মাথা ব্যথা’য় ভুগতেছেন উল্লেখ করলে উপস্থিত জনৈক বেদুঈন বলেছিল–ইয়া রাসুলুল্লাহ ! মাথা ব্যথা তো দূরের কথা, জীবনে আমার কোন রোগই হয় নাই । এতদ্ব শ্রবণে রাসুলুল্লাহ (দঃ) বললেন ঃ তুমি আমার সামনে থেকে দূর হও । তোমরা কেহ যদি জাহান্নামী লোক দেখতে চাও, তবে এই বেদুঈন লোকটিকে দেখে নাও । (আল হাদিস)
☼ এমন কোন নবী নেই যিনি ছাগলের রাখাল ছিলেন না । – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ)
☼ তোমরা আমার সাহাবীদের সমালোচনা করিও না । তোমাদের কেহ ওহুদ পাহাড় সমান স্বর্ণ আল্লাহর রাস্তায় দান করিলেও আমার সাহাবীদের এক মুঠো দান করার সমান হইতে পারিবে না । – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ)
☼ একদিন তোমাদের মধ্যে যোগ্য নেতৃত্ব ও ন্যায় প্রতিষ্ঠাতারূপে মরিয়ম পুত্র ঈসা (আঃ) আগমণ করিবেন । তিনি ক্রুশ ধবংসের অভিযান চালাইবেন এবং শুকর নিধন অভিযান পরিচালনা করিবেন এবং যুদ্ধ-হানাহানির অবসান ঘটাবেন । সেই সময় ধন-দৌলতের আধিক্য হবে। এমনকি দান গ্রহণকারী কোন ব্যক্তি পাওয়া যাবে না । তখন একটি মাত্র সেজদা সমগ্র পৃথিবী ও তার সমস্ত সম্পদ হইতে উত্তম গণ্য হবে। – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ)
☼ (মহাপ্রলয়ের লক্ষণ হইল ) সময় সংকীর্ন হয়ে যাবে, কাজ অল্প হয়ে যাবে, কৃপণতা শুরু হবে, বিপদাপদ বৃদ্ধি পাবে এবং হত্যাকান্ড বৃদ্ধি পাবে। – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ)
☼ যার মধ্যে এই তিনটি গুণ আছে সে ঈমানের স্বাদ লাভ করে। যথা- (১) অন্য সবকিছুর চাইতে আল্লাহ্ ও রাসুল (দঃ) এর প্রতি সবচেয়ে বেশী ভালবাসা পোষণ করা, (২) কাহাকেও ভালবাসিলে তা একমাত্র আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে হওয়া এবং (৩) বিশ্বাসী জীবনে ফিরে যাওয়াকে অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হওয়ার ন্যায় ভয় করা । – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ) ঃ)
☼ শেষ জমানায় ভয়াবহ ফেতনা শুরু হবে। সে সব ফেতনায় মুনাফেক-কাফেরদের থেকে ঈমানদারগণ আলাদা হয়ে যাবেন । তাঁদের সংখ্যা নিতান্তই সীমিত হয়ে পড়বে। তবে তাদের ঈমান আগের তুলনায় অনেক বেশী মজবুত হবে। সুতরাং তোমরা শাম (ইরাক) অঞ্চলের লোকদের মন্দ বলো না । কেননা, তাদের ভেতর আল্লাহর অলিগণও রয়েছেন । এমন একটা সময় আসবে যখন শামবাসীগণ খুবই দুর্বল হয়ে পড়বে। একটার পর একটা নানান বিপদ তাদেরকে এমনই দুর্বল করে দিবে যে, শৃগালে হামলা করেও তাদেরকে পরাস্ত করে দিতে সক্ষম হবে। তাদের এই চরম দুর্দশার সময়ে একজন আদর্শ নেতার আবির্ভাব ঘটবে। তিনি নবী করীম (দঃ)-এর বংশধরদের মধ্য থেকে হবেন । অন্ততঃপক্ষে তিনটি বাহিনী বিপুল সামরিক শক্তি নিয়ে তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা মুসলমানদের এই নেতাকে নিশ্চিহ্ন করতে অগ্রসর হবে। কিন্তু ইমাম মাহদীর ক্ষুদ্র বাহিনীর হাতে তারা সবাই ধ্বংস হয়ে যাবে। যোগ্য নেতার নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ তখনকার মুসলমানদের মধ্যকার পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সহমর্মিতা অনুকরণীয় । তাদের মধ্যে এমন সমৃদ্ধির সৃষ্টি হবে যা ইতিপূর্বে আর কোথাও দেখা যায়নি। – আল হাদিস
(মজমাউয যাওয়ায়েদ)
☼ সবচেয়ে কম শাস্তিপ্রাপ্ত জাহান্নামীকে কেবল দুটি আগুনের জুতো পড়িয়ে দেওয়া হবে, যাতে তার মাথার মগজ টগবগ করে ফুটতে থাকবে এবং পেটের নাড়ী-ভুড়ি গলে পায়খানার রাস্তা দিয়ে বেরিয়ে যাবে আর সে মনে করবে তাকেই হয়ত সবচেয়ে বেশী শাস্তি দেওয়া হচেছ । – আল হাদিস
☼ তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা এজন্য ধ্বংস হয়েছে যে, তাদের মধ্যকার ক্ষমতাবান ও অভিজাত লোকেরা চুরি করলে তাদের ছেড়ে দিত আর দুর্বল ও সাধারণ লোকেরা চুরি করলে তাদের শাস্তি দিত। আল্লাহর কসম, আমার মেয়ে ফাতেমাও যদি চুরির অপরাধে ধরা পড়ত, তবে আমি তার হাত কেটে দিতাম । (আল হাদীস)
☼ জান্নাতবাসীগণ যখন যা আকাংখা করবে তখনই তা লাভ করবে। কেহ জান্নাতে ভ্রমণের নিমিত্তে ঘোড়ার প্রত্যাশা করলে তাকে দ্রুতগামী ঘোড়া দেওয়া হবে। এভাবে কেহ চাষাবাদের ইচছা প্রকাশ করলে তাকে হাতিয়ারের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। ভূমি কর্ষণের সাথে সাথেই বীজ বপন করা হবে এবং চারাগাছ সমূহ উঠতে থাকবে। সঙ্গে সঙ্গেই ফসল কাটা হবে এবং তা পাহাড়ের মতো স্তুপ হয়ে যাবে। অতঃপর আল্লাহ পাক বলবেন, “হে আমার বান্দা ! তোমার যতটুকু ইচছা ততটুকু গ্রহন কর। তবে জেনে রেখো, কোনো জিনিসেই তোমাদের তৃপ্তি মিটবে না । – আল হাদীস (মেশকাত শরীফ)
☼ জ্ঞানী ব্যক্তির চেহারা দেখাও ইবাদত স্বরূপ। – আল হাদীস (দাইলামী)
☼ ট্যাক্স আদায় কারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না । (আবু দাউদ শরীফ)
☼ যে ব্যক্তি সারা বৎসর রোজা রাখে, জাহান্নামে তার জন্য কোন স্থান হবে না । (আল হাদিস)
☼ সর্বাপেক্ষা সহজ মৃত্যু যন্ত্রণার দৃষ্টান্ত এরূপ মনে করতে পার, যেমন একটি ত্রিধার ট্যাটা কারো পায়ে এমন ভাবে বিঁধে গেল এবং এমনভাবে ভিতরে ঢুকেছে যে, অনেক টানাটানি এবং চেষ্টা করেও তাহা খোলা সম্ভব হইতেছে না । (আল হাদিস)
☼ হযরত হারেসা (রাঃ) একদিন রাসুলে মাকবুল (দঃ) কে বললেন ঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ ! আমি সত্যিকারের মু’মিন হইতে পারিয়াছি । নবী করিম (দঃ) তাকে বললেন ঃ ইহার প্রমাণ কি ? হারেসা (রাঃ) উত্তরে বললেন ঃ আমার অন্তর দুনিয়ার মোহজাল ছিন্ন করে এমনভাবে পলায়ন করেছে যে, আমার দৃষ্টিতে এখন স্বর্ণ এবং পাথরের মধ্যে কোনই পার্থক্য নাই । উভয় বস্তুই আমার নিকট সমান তুচছ বলে মনে হয় । বেহেশত এবং দোযখকে আমি যেন নিজের চোখে দেখতে পাচিছ । রাসুলাল্লাহ (দঃ) বললেন ঃ ঈমানের যে অবস্থা তোমার অর্জন করা প্রয়োজন ছিল তা তুমি যথার্থই লাভ করেছ । এখন ইহাকে সযত্নে রক্ষা কর । (আল হাদিস)
☼ (মহামহিম আল্লাহ তা’আলা বলেন) আমার গৌরবের কসম, আমি কখনও মানুষের মধ্যে দুই ভয় ও দুই অভয় একত্রিত করি না । যে বান্দা ইহকালে আমার ভয়ে ভীত থাকিবে পরকালে তাকে আমি নির্ভয় রাখিব। আর যে ব্যক্তি ইহলোকে আমার ব্যাপারে নির্ভয় থাকিবে পরলোকে তাকে আমি ভীত-সন্ত্রস্ত রাখিব। (আল হাদিস)
☼ (হে আয়শা !) কেয়ামতের দিন তুমি যদি আমার সঙ্গে থাকিতে বাসনা রাখ, তবে দরিদ্রের ন্যায় জীবন যাপন করিতে থাক। ধনী লোকের সঙ্গে চলাফেরা হইতে দূরে সরে থাক। তালি লাগাইয়া পরিধান করা ব্যতিত কোন পুরনো কাপড় ফেলে দিও না । (আল হাদিস)
☼ তিনটি জিনিস আমার প্রিয় – নামাজ, সুগন্ধি আর পুণ্যবান স্ত্রী। (আল হাদীস)
☼ যে ব্যক্তি অন্যকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য জ্ঞানের মাত্র একটি অধ্যায়ও নিজে শিক্ষালাভ করবে, নিশ্চয় তাকে সত্তরজন নবী ও সিদ্দিকীনের সমান সওয়াব দেওয়া হবে। – আল হাদীস (দাইলামী)
☼ রাসুলুল্লাহ (দঃ) কোন সাহায্য প্রার্থীর জবাবে কখনও ‘না’ বলেন নি। (বোখারী শরীফ , মুসলিম শরীফ)
☼ মানুষ স্বর্ণ ও রৌপ্যের খনি তুল্য। যে সব লোক অন্ধকার যুগে শ্রেষ্ট ছিল, ধর্মীয় জ্ঞানে পারদর্শী হলে ইসলামের যুগেও শ্রেষ্ট। (বোখারী শরীফ , মুসলিম শরীফ)
☼ আবু হোরায়রা, তুমি যোগ্য পাত্রে করুণা করবে, অন্যথায় তুমি নিজেই করুণার পাত্রে পরিণত হবে। (আল হাদিস)
☼ তুমি জ্ঞান অর্জন করো ; কেননা জ্ঞান অর্জন করা আল্লাহ ভীতি এবং জ্ঞান অনুসন্ধান করা ইবাদতস্বরূপ। জ্ঞান শিক্ষাদান তাসবিহ এবং তার আলোচনা হলো জিহাদ। জ্ঞানহীন ব্যক্তিকে জ্ঞানদান করা দান-খয়রাতস্বরূপ। যোগ্য পাত্রে তা’ ব্যয় করা হলো হৃদ্যতা বা বন্ধুত্বস্বরূপ। জ্ঞান নিঃসঙ্গতায় সঙ্গি, সফরে সহযাত্রী, নির্জন্তায় বাক্যালাপকারী, ধর্মের ক্ষেত্রে পথপ্রদর্শক, অভাবে স্বচছলতার প্রদীপ, বন্ধু-সমাজে নেতৃত্ব, অপরিচিত জনের সাথে সম্পর্ক স্থাপনকারী, শত্রুর মোকাবেলায় ধারালো হাতিয়ার এবং বেহেশতের পথে আলোক স্তম্ভ। -(আল হাদিস)
☼ একবার হযরত রাসুলে করীম (দঃ) হযরত জিব্রাঈল (আঃ)-কে জাহান্নাম ও জাহান্নামীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “হে প্রিয় বন্ধু ! জাহান্নামের প্রথম দরজার নাম ‘হাবিয়া’ এবং এতে মুনাফিক, ফেরাউনের গোষ্টি, আসহাবে মায়েদার কাফেরগণ থাকবে। দ্বিতীয় দরজা ‘লাজ্জা’তে ইবলিশ, শয়তান, তার দলবল ও অগ্নিপূজকরা অবস্থান করবে। তৃতীয় দরজা ‘হোতামা’ তে ইহুদীগণ থাকবে। চতুর্থ দরজা ‘ছায়ীরে’ খ্রীস্টানগণ থাকবে। পঞ্চম দরজা ‘সাকারে’ নক্ষত্র পূজারীরা থাকবে। ষষ্ট দরজা ‘জাহিমে’ কাফের-পৌত্তলিকরা থাকবে। সপ্তম দরজা ‘জাহান্নাম’ বলে জিব্রাঈল (আঃ) চুপ হয়ে গেলে মহানবী (দঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, “হে বন্ধু , আপনি চুপ করলেন কেন ? শীঘ্রই তার অধিবাসীদের কথা আমাকে বলুন !’’ হযরত জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, “হে বন্ধু ! উম্মতে মোহাম্মদীর মধ্যে যারা কবিরা গোনাহ করে তওবা ব্যতিত মৃত্যুবরণ করবে, তারা এতে অবস্থান করবে।’’ এতদ্ শ্রবণে হযরত রাসুলে করীম (দঃ) বেহুশ হয়ে পড়লে হযরত জিব্রাঈল (আঃ) তাঁর মস্তক কোলে তুলে নিলেন এবং রাসুলুল্লাহ (দঃ) চেতনা লাভ করে বললেন, “হে জিব্রাঈল, আমার উম্মতের জাহান্নামে নিক্ষেপ এবং দুর্দশার কথা আমাকে মর্মাহত এবং ব্যথিত করেছে। আমার দুশ্চিন্তা ও ভয় কিছুতেই হ্রাস পাচেছ না ।’’ হযরত জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, “হ্যাঁ, আপনার পাপী উম্মতদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।’’ এতদ্শ্রবণে নুরনবী (দঃ) অঝোর ধারায় কাঁদতে লাগলেন । হযরত জিব্রাঈল (আঃ)ও নিজেকে সম্বরণ করতে না পেরে কাঁদতে লাগলেন । হযরত রাসুলে করীম (দঃ) বললেন, ‘‘হে বন্ধু, আপনি কাঁদতেছেন ? আপনি ‘রহুল আমিন, আল্লাহর অনুগত।’’ তিনি বললেন, “যদি হারুত-মারুত ফেরেশতাদ্বয়ের ন্যায় আমাকেও পরীক্ষা করা হয়, সেই ভয়ে ক্রন্দন করতেছি।’’ তখন আল্লাহ পাক বললেন, “হে মোহাম্মদ (দঃ) এবং জিব্রাঈল (আঃ) ! আমি আপনাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দিয়েছি। সুতরাং আমার কৃতজ্ঞতার নিমিত্তে কাঁদতে থাকুন ।’’ -(আল হাদিস)
☼ যে ব্যক্তি মানুষের কাছ থেকে কোন উপকারী বিষয়কে লুকিয়ে রাখে, কেয়ামতের দিন তার মুখে আগুনের লাগাম পরিয়ে দেয়া হবে। (আল হাদীস)
☼ (নষ্ট) আলেমকে এমন ভয়ঙ্কর শাস্তি দেওয়া হবে যে, জাহান্নামীরা তার শাস্তি দেখে (বিস্মিত হয়ে) চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকবে। (আল হাদিস)
☼ একদিন রাসুলে করিম (দঃ) ‘মাথা ব্যথা’য় ভুগতেছেন উল্লেখ করলে উপস্থিত জনৈক বেদুঈন বলেছিল–ইয়া রাসুলুল্লাহ ! মাথা ব্যথা তো দূরের কথা, জীবনে আমার কোন রোগই হয় নাই । এতদ্ব শ্রবণে রাসুলুল্লাহ (দঃ) বললেন ঃ তুমি আমার সামনে থেকে দূর হও । তোমরা কেহ যদি জাহান্নামী লোক দেখতে চাও, তবে এই বেদুঈন লোকটিকে দেখে নাও । (আল হাদিস)
☼ আল্লাহ তা’আলা যখন কোন মানুষকে খুব ভালবাসেন, তখন তার ওপরে নানাবিধ বিপদ-আপদ চাপিয়ে দেন । আর যাদেরকে চরম মাত্রায় ভালবাসেন তাদেরকে ‘একতেনা” করে দেন । সাহাবায়ে কেরাম ‘একতেনা’ শব্দের অর্থ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন ঃ কাহারো ধন-সম্পদ সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট করে দেওয়া এবং পরিবার-পরিজনকে সমূলে খতম করে দেওয়াকে ‘একতেনা’ বলা হয় । (আল হাদিস)
☼ যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যেই কাউকে ভালবাসে, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যেই কাউকে শত্রু জ্ঞান করে , আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যেই কাউকে দান করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যেই কাউকে বঞ্চিত করে, সে নিজের ঈমানকে পূর্ণতা দিয়েছে। – আল হাদীস (আবু দাউদ শরীফ ঃ)
☼ যদি তুমি সবর্দা আল্লাহকে স্মরণ কর, তবে তিনি তোমাকে সকল অবস্থায় রক্ষা করবেন । আল্লাহকে স্মরণ করলে তাঁকে তোমার সম্মুখেই পাবে । কিছু চাইতে হলে তাঁর কাছেই চাইবে । জেনে রেখো , সমগ্র মানবজাতি মিলেও যদি তোমার কোন উপকার করতে চায় তথাপি তোমার ভাগ্যে আল্লাহ যা নির্দিষ্ট করে রেখেছেন, তার বাইরে কোন উপকার করতে কখনও সক্ষম হবে না । আবার সমগ্র মানবজাতি মিলেও যদি তোমার কোন ক্ষতি করতে চায়, তবুও আল্লাহ তোমার জন্য যা নির্ধারিত করে রেখেছেন তার বাইরে কোন ক্ষতি করতে পারবে না । কারণ ভাগ্যের কলম তুলে নেওয়া হয়েছে এবং কাগজ শুকিয়ে গেছে । – আল হাদীস (তিরমিযী শরীফ ঃ)
☼ তোমার যদি লজ্জাই না থাকে, তবে তুমি যা ইচছা তাই করতে পারো । – আল হাদীস (বোখারী শরীফ ঃ)
☼ আমরা যাদের কাজ দেই, তাদের খাওয়া-পরার জন্য অর্থও দিয়ে থাকি। ইহার বাইরে তারা যাকিছু গ্রহন করবে, তা হবে স্রেফ চুরি। -আল হাদীস
☼ পরনিন্দাকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না । (বোখারী শরীফ , মুসলিম শরীফ )
☼ পরনিন্দাকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না । (বোখারী শরীফ , মুসলিম শরীফ )